August 25, 2026, 4:06 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ

মাদক কারবারীকে ছাড়াতে থানায় চাপ প্রয়োগের চেষ্টা, বিএনপি-জামাতের পাঁচ নেতা আটক, আদালত প্রক্রিয়া নিয়ে গুঞ্জন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ার মিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের কঠোর অবস্থান ঘিরে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৯ মে) রাতে মাদক ব্যবসায়ীর মুক্তির জন্য থানায় এসে পুলিশের ওপর চাপ প্রয়োগের ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ নেতাকে আটক করা হলেও, এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে ৮ পিস ইয়াবাসহ নওদা আজমপুর এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামকে আটক করে আমলা ক্যাম্প পুলিশ। পরে তাকে মিরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। ওই সময় তাকে ছাড়িয়ে নিতে থানায় উপস্থিত হন বিএনপি ও জামায়াতের পাঁচ নেতা। তারা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলামের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তদবির করেন এবং একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের পাঁচজনকেই হেফাজতে নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—এনামুল হক (৪৫), সুজন আলী (৩৩), আলাউদ্দিন (৪৩), শফিকুল ইসলাম (২৫) এবং সাইদুল ইসলাম (৩৯)। তাদের মধ্যে চারজন জামায়াতের নেতা এবং একজন বিএনপি-সমর্থিত ইউপি সদস্য বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার রাতেই গ্রেপ্তার দেখানো হলেও এখনো তাদের আদালতে পাঠানো হয়নি। বরং বিষয়টি নিয়ে “নেগোশিয়েশন” চলছে এবং ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে—এমন গুঞ্জনও এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এতে জনমনে প্রশ্ন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এদিকে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, “মাদক মামলার আসামিকে ছাড়ানোর জন্য তারা অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করেন এবং পুলিশের কাজে বাধা দেন। এ কারণে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড়িয়ে নিতে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে পুলিশের ওপর চাপ প্রয়োগ অত্যন্ত দুঃখজনক। মাদক নির্মূলে রাজনৈতিক নেতাদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা উচিত।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল ওসির এই অবস্থানকে ইতিবাচক ও সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের এ ধরনের কঠোরতা এলাকায় শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net